বাংলাদেশের প্রতিদিনের বিনোদন পোর্টাল
বিনোদন ঝলক

দেশি-বিদেশি নাটক, সিনেমা ও সিরিজের প্রতিদিনের বিনোদন খবর

সিনেমা

শাকিবের মহব্বতে কিনজা হাশমি: সূত্রের দাবি চূড়ান্ত, ঘোষণা বাকি, শুটিং ও মুক্তির পরিকল্পনা এক গাইডে

বিনোদন ঝলক ডেস্ক৪ নভেম্বর ২০২৬9 মিনিটে পড়ুন
শাকিব খানের মহব্বত সিনেমায় কিনজা হাশমি নিয়ে সম্পূর্ণ গাইডের নিজস্ব গ্রাফিক
ছবি: বিনোদন ঝলক

শাকিব খানের নতুন সিনেমা মহব্বত ঘিরে যে প্রশ্নটা গত এক মাস ধরে সবচেয়ে বেশি ঘুরছিল, সেটা হলো, তাঁর বিপরীতে কে থাকছেন। ৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় সেই প্রশ্নের একটা নতুন মোড় এলো। প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউন একাধিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, পাকিস্তানের মডেল ও অভিনেত্রী কিনজা হাশমির নায়িকা হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে বলে সূত্র দাবি করছে, এমনকি তাঁর সঙ্গে চুক্তিপত্রের আনুষ্ঠানিকতাও শেষ হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তবে এই খবরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটা এখনো অসম্পূর্ণ, কারণ ছবির পরিচালক হিমেল আশরাফ ও প্রযোজক আরশাদ আদনান এ বিষয়ে এখনো মুখ খোলেননি, আর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভার্সেটাইল মিডিয়াও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তাই এই গাইডে কিনজাকে নিশ্চিত নায়িকা বলে লেখা হচ্ছে না, লেখা হচ্ছে সূত্রের দাবি হিসেবে, আর পাশাপাশি দেওয়া হচ্ছে পুরো ঘটনার টাইমলাইন, কিনজা হাশমি কে, শুটিং ও মুক্তির পরিকল্পনা, এবং এরপর কী দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে।

প্রথমে পরিষ্কার করে নেওয়া দরকার, এই খবরটা আগের গুঞ্জনের ধারাবাহিকতা, কিন্তু একই খবরের পুনরাবৃত্তি নয়। অক্টোবরের শেষ দিকে কিনজার নাম নিয়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, তখন সেটা ছিল আলোচনার পর্যায়ে। ৩ নভেম্বরের রিপোর্টগুলো সেই আলোচনাকে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে, কারণ এবার সূত্রের দাবি আরও নির্দিষ্ট: নায়িকা চূড়ান্ত, চুক্তি শেষ। তবু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এই দাবি দাবিই থাকছে। বিনোদন ঝলকের আগের প্রতিবেদনেও এই সতর্কতাটাই ছিল, আর নতুন রিপোর্টের পরও সেই অবস্থান বদলায়নি। পাঠক হিসেবে এই পার্থক্যটা মনে রাখা জরুরি, কারণ সিনেমার কাস্টিংয়ে সূত্রের খবর আর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ঘোষণার মধ্যে সবসময়ই একটা ফারাক থাকে, আর সেই ফারাকটা মেটে শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণায়।

মহব্বতের গল্পটা শুরু হয়েছিল গত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে, যখন সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। ঘোষণার পর থেকেই সবচেয়ে বেশি আলোচনা চলছিল শাকিবের বিপরীতে কে অভিনয় করছেন, তা নিয়ে। শুরুতে পাকিস্তানের কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নাম সামনে এসেছিল। সেই তালিকায় ছিলেন হানিয়া আমির, সজল আলি, ইয়ামনা জায়েদী ও দুর-ই-ফিশান সেলিম। এঁদের প্রত্যেকেই পাকিস্তানি টেলিভিশনের পরিচিত মুখ, তাই তাঁদের নাম ঘিরে দর্শকদের আগ্রহও ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু ৩ নভেম্বরের রিপোর্ট অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তাঁদের কেউ নন, শেষ পর্যন্ত কিনজা হাশমিই চূড়ান্ত হয়েছেন। এই দাবি যদি আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় মিলে যায়, তাহলে আগের সব আলোচনার অবসান হবে, আর যদি না মেলে, তাহলে বোঝা যাবে কাস্টিং নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো খোলা আছে।

প্রথম পোস্টারেও এই রহস্যটা ইচ্ছা করেই ধরে রাখা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভার্সেটাইল মিডিয়া জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শাকিবের নতুন নায়িকাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, আর সে কারণেই মহব্বতের প্রথম পোস্টারে রহস্য রাখা হয়েছে। পোস্টারে শাকিবের সঙ্গে দেখা গেছে লাল ওড়না ও সাদা সালোয়ার-কামিজ পরা এক নারীর হাত, কিন্তু মুখটি আড়ালেই রাখা হয়েছে। এই কৌশলটা নতুন নয়, সিনেমার নায়িকা নিয়ে কৌতূহল ধরে রাখতে পোস্টারে মুখ না দেখানো একটা পরিচিত উপায়। তবে এখানে একটা কথা মনে রাখা দরকার, পোস্টারের হাত দেখে কোনো অভিনেত্রীকে শনাক্ত করা যায় না, আর এই গাইডেও পোস্টারের ছবি দেখে কিনজাকে চিহ্নিত করার দাবি করা হচ্ছে না। পোস্টারের রহস্য আর কাস্টিংয়ের দাবি, দুটো আলাদা বিষয়, আর আনুষ্ঠানিক পরিচয় পর্বেই দুটোর মীমাংসা হবে।

এবার প্রশ্ন, কে এই কিনজা হাশমি। প্রথম আলো ও বাংলা ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, তিনি পাকিস্তানের টেলিভিশন নাটকের পরিচিত মুখ। ২০১৪ সালে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন তিনি, আর শুরু থেকেই টেলিভিশন নাটকে নিয়মিত কাজ করে ধীরে ধীরে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান। তাঁকে আলোচনায় আনে ইশক তামাশা নাটকে রুশনা চরিত্রে অভিনয়। এরপর গুল-ও-গুলজার, মোহলত, দিল আওয়াইজ, হুক ও মেরে বান জাওয়ের মতো নাটকে অভিনয় করেছেন কিনজা। টেলিছবি রূপোশেও দেখা গেছে তাঁকে। টেলিভিশনের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন তিনি, তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে কট্টর করাচি ও শিরোস। অভিনয়ের পাশাপাশি মডেলিংয়েও পরিচিতি রয়েছে তাঁর। অর্থাৎ, কিনজা হঠাৎ করে উঠে আসা কোনো নাম নন, পাকিস্তানের বিনোদন অঙ্গনে এক দশকের বেশি সময় ধরে কাজ করা একজন পরিচিত অভিনেত্রী, আর বাংলাদেশের সিনেমায় যুক্ত হলে সেটি হবে তাঁর ক্যারিয়ারের নতুন এক অধ্যায়, যেমনটা রিপোর্টগুলোতেও বলা হয়েছে।

শাকিব খানের বিপরীতে বিদেশি নায়িকা থাকা অবশ্য নতুন কোনো ঘটনা নয়, আর এই প্রসঙ্গটা মহব্বতের কাস্টিং বুঝতে সাহায্য করে। প্রথম আলোর রিপোর্টে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, শাকিবের প্রথম ছবি অনন্ত ভালোবাসার নায়িকা ছিলেন ইরিন জামান, আর সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া ছবি রকস্টারে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর। মাঝের ২৭ বছরে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেছেন দেশ-বিদেশের ৭০ জনের বেশি নায়িকা। শুধু বাংলাদেশে নয়, কলকাতা, বলিউড এমনকি হলিউডের মডেল ও অভিনয়শিল্পীরাও হয়েছেন তাঁর সিনেমার নায়িকা। এই তালিকায় আছেন শ্রাবন্তী, পাওলি দাম, শুভশ্রী, স্বস্তিকা, সায়ন্তিকা, ইধিকা পাল, সৌনাল চৌহান, দর্শনা বণিক, মিমি চক্রবর্তী, জ্যোতিময়ী কুন্ডুর মতো নাম। অর্থাৎ, ভিনদেশি নায়িকার সঙ্গে কাজ করা শাকিবের ক্যারিয়ারের একটা ধারাবাহিক বৈশিষ্ট্য, আর কিনজা যুক্ত হলে সেই তালিকায় নতুন এক দেশের নাম যোগ হবে, পাকিস্তান।

হিমেল আশরাফ ও আরশাদ আদনানের সঙ্গে শাকিবের আগের দুই সিনেমাতেও ছিলেন বিদেশি নায়িকা, আর এই ধারাবাহিকতাটাই মহব্বতের কাস্টিংকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। প্রিয়তমায় শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেন কলকাতার ইধিকা পাল, ছবিটি মুক্তির পর বাংলাদেশি দর্শকদের কাছে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি। পরে কলকাতার জনপ্রিয় দুই তারকা জিৎ ও দেবের বিপরীতেও অভিনয় করেছেন ইধিকা। অন্যদিকে এই ত্রয়ীর দ্বিতীয় সিনেমা রাজকুমারে শাকিবের নায়িকা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের মডেল ও অভিনয়শিল্পী কোর্টনি কফি। এবার মহব্বতে পাকিস্তানের কিনজা হাশমিকে নেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই ধারাবাহিকতাই বজায় রাখতে যাচ্ছেন নির্মাতারা, এমনটাই বলছে রিপোর্ট। এখানে একটা ব্যাপার লক্ষণীয়, প্রিয়তমা ও রাজকুমার, দুটো ক্ষেত্রেই বিদেশি নায়িকা বাছাই দর্শকদের মধ্যে আলাদা করে আলোচনা তৈরি করেছিল, আর মহব্বতের ক্ষেত্রেও সেই আলোচনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগেই।

শুটিং ও মুক্তির পরিকল্পনা সম্পর্কে যা জানা গেছে, সেটাও এখনো পরিকল্পনার পর্যায়ে, চূড়ান্ত সূচি নয়। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ভার্সেটাইল মিডিয়া সূত্রে জানা গেছে, আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু হতে পারে মহব্বতের শুটিং। পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুটিং শেষ করে ২০২৭ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তি দেওয়া হবে সিনেমাটি। এই দুটো তারিখই পাঠকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শুটিং শুরুর তারিখ থেকেই বোঝা যাবে কাস্টিং নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসতে পারে, আর মুক্তির উইন্ডো থেকে বোঝা যাবে সিনেমাটি কোন উৎসব মৌসুমকে লক্ষ্য করছে। তবে মনে রাখতে হবে, শুটিংয়ের তারিখে এখনো হতে পারে শব্দটা আছে, আর মুক্তির তারিখটাও পরিকল্পনা অনুযায়ী বলা হয়েছে। সিনেমার শুটিং ও মুক্তি, দুটোতেই তারিখ বদলানো অস্বাভাবিক নয়, তাই এই তারিখগুলোকে আপাতত পরিকল্পনা হিসেবেই ধরে রাখতে হবে, নিশ্চিত সূচি হিসেবে নয়।

এই খবরটা কেন এত আলোচিত হচ্ছে, তার কারণ শুধু কাস্টিং নয়, কাস্টিংয়ের পেছনের প্রতিযোগিতাও। হানিয়া আমির, সজল আলি, ইয়ামনা জায়েদী ও দুর-ই-ফিশান সেলিম, এই চারজনের নাম ঘিরে দর্শকদের মধ্যে আলাদা আলাদা পছন্দ তৈরি হয়েছিল, আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের পক্ষে বিপক্ষে আলোচনাও চলছিল। সূত্রের দাবি অনুযায়ী কিনজার নাম চূড়ান্ত হওয়ায় সেই আলোচনার মোড় ঘুরে গেছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, কেন শেষ পর্যন্ত কিনজা, আর আগের নামগুলো কেন বাদ পড়ল। এই প্রশ্নের উত্তর রিপোর্টগুলোতে সরাসরি দেওয়া হয়নি, আর এই গাইডেও তার কারণ অনুমান করে লেখা হচ্ছে না। কাস্টিংয়ের সিদ্ধান্তের পেছনে শিডিউল, চুক্তি, চরিত্রের সঙ্গে মানানসই, পরিচালকের পছন্দ, এমন অনেক কারণ থাকতে পারে, কিন্তু যাচাই করা তথ্য ছাড়া কোনো কারণকে সত্য বলে দাবি করা যাবে না। পাঠকের উচিত হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার সময় নির্মাতাদের ব্যাখ্যার অপেক্ষা করা।

আরেকটা বিষয় স্পষ্ট করা দরকার, সেটা হলো, এই গাইডে যা লেখা হয়েছে, তার বাইরে মহব্বতের গল্প, চরিত্রের নাম, শুটিং লোকেশন বা অন্যান্য কাস্ট সম্পর্কে এখনো যাচাই করা তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। গল্প কী হবে, কিনজার চরিত্রটি কেমন হবে, ছবিতে আর কারা থাকবেন, সংগীত কে করবেন, এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো জানা যায়নি। তাই এই গাইডে সেসব বিষয়ে অনুমান করা হয়নি। যেসব প্রশ্নের উত্তর জানা গেছে, সেগুলোই এখানে আছে, আর যেগুলো জানা যায়নি, সেগুলো জানা যায়নি বলেই লেখা হচ্ছে। এটাই এই গাইডের সততার জায়গা, পাঠককে অর্ধেক তথ্য দিয়ে পুরো ছবি বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে না।

এখন প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর। প্রথম প্রশ্ন, কিনজা হাশমি কি মহব্বতের নিশ্চিত নায়িকা। উত্তর, না, এখনো নয়। সূত্রের দাবি অনুযায়ী চূড়ান্ত ও চুক্তি শেষ, কিন্তু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি, তাই নিশ্চিত বলার সময় এখনো আসেনি। দ্বিতীয় প্রশ্ন, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসতে পারে। উত্তর, রিপোর্ট অনুযায়ী ভার্সেটাইল মিডিয়া জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন নায়িকাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, কিন্তু তারিখ এখনো জানানো হয়নি। তৃতীয় প্রশ্ন, শুটিং কবে শুরু হবে। উত্তর, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে। চতুর্থ প্রশ্ন, মুক্তি কবে। উত্তর, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালের ঈদুল আজহায়। পঞ্চম প্রশ্ন, সিনেমাটি কোথায় দেখা যাবে। উত্তর, এখনো শুধু প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনার কথাই জানা গেছে, ওটিটি বা অন্য কোনো মাধ্যমে দেখার বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি, তাই সে বিষয়ে অনুমান করা হচ্ছে না।

এরপর কী দেখার অপেক্ষায় থাকতে হবে, সেটা এখন বেশ পরিষ্কার। প্রথমত, ভার্সেটাইল মিডিয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, যেখানে কিনজার নাম নিশ্চিত হবে, নাকি অন্য কোনো নাম আসবে, সেটা জানা যাবে। দ্বিতীয়ত, জমকালো পরিচয় পর্বের আয়োজন, যার কথা রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেখানে পোস্টারের রহস্যেরও মীমাংসা হতে পারে। তৃতীয়ত, শুটিং শুরুর খবর, যা ২০২৭ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে আসার কথা, সেখানে শুটিং লোকেশন ও অন্যান্য কাস্টের খবরও আসতে পারে। চতুর্থত, টিজার বা ট্রেলার, যা সাধারণত শুটিংয়ের অনেক পরে আসে, কিন্তু দর্শকদের আগ্রহের পরবর্তী ধাপ সেটাই হবে। এই চারটি ধাপের প্রতিটিতেই বিনোদন ঝলক যাচাই করা তথ্য পেলে আপডেট দেবে, আর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কিনজাকে সূত্রের দাবি হিসেবেই লেখা হবে। আপাতত এটুকুই নিশ্চিত, মহব্বতের নায়িকা নিয়ে কৌতূহল এখনো শেষ হয়নি, বরং ৩ নভেম্বরের রিপোর্টের পর সেটা আরও বেড়েছে, আর এর মীমাংসা হবে শুধু নির্মাতাদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণায়।

সূত্র

ফেসবুকে শেয়ার এক্সে শেয়ার হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার
← সব খবর দেখুন