কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের সাবেক স্ত্রী মোছা. সাথী খাতুনকে ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। হিরো আলমের দাবি, তিনি বিদেশে থাকা অবস্থায় সাথী তাঁরই এক কর্মচারীকে বিয়ে করেছেন। জাগো নিউজ ২৪ আজ বুধবার বিকেলে (৫:৩১) এই খবর জানিয়েছে।
হিরো আলম বলেন, আমি বিদেশে থাকা অবস্থায় সে আমার কর্মচারীকে বিয়ে করেছে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ আছে, একটি অডিওতেও সাথী খাতুনকে বিয়ের কথা বলতে শোনা গেছে। তবে সাথী খাতুন নিজে এই বিয়ে নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
অর্থাৎ বিষয়টি এখন পর্যন্ত হিরো আলমের একপক্ষীয় দাবির পর্যায়ে রয়েছে। সাথী খাতুনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা স্বীকৃতি পাওয়া যায়নি, ফলে বিয়ের দাবির স্বতন্ত্র যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি। পারিবারিক এই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে সাথী খাতুনের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকতে হবে।
সাথী খাতুন হিরো আলমের চতুর্থ স্ত্রী ছিলেন। আজ সকালেই বিনোদন ঝলকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে হিরো আলম সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, সাবেক স্ত্রী সাথী খাতুন তাঁর কাছে এসে মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে সংসারের খরচ ও পোশাক কেনার জন্য তাঁকে অর্থ দেন হিরো আলম। গত ১৭ আগস্ট সাথীকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়, যা ব্যাংকে জমা রাখার কথা সাথী নিজেই সামাজিক মাধ্যমে স্বীকার করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ আছে। এরপর ২২ আগস্ট হিরো আলম ওমরাহ করতে সৌদি আরবে যান; সেখানে থাকাকালীন মিউজিক ভিডিওর শুটিং ও সাজসজ্জার কথা বলে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ।
মামলার অভিযোগের টাইমলাইন অনুযায়ী, সাবেক স্ত্রী সাথী খাতুন হিরো আলমের কাছে এসে তাঁর মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে সংসারের খরচ ও পোশাক কেনার জন্য তাঁকে অর্থ দেন হিরো আলম। এর মধ্যে গত ১৭ আগস্ট সাথীকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়া হয়। ওই অর্থ ব্যাংকে জমা রাখার কথা সাথী সামাজিক মাধ্যমে স্বীকারও করেছেন। এরপর গত ২২ আগস্ট ওমরাহ করতে সৌদি আরবে যান হিরো আলম। সেখানে যাওয়ার পর সাথী মিউজিক ভিডিওর শুটিং ও সাজসজ্জার কথা বলে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
সাথী খাতুনকে চতুর্থ স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছিলেন হিরো আলম, সেই সংসারও টেকেনি। এর আগে তাঁর আগের স্ত্রীদের সঙ্গে বিচ্ছেদের খবরও সংবাদমাধ্যমে এসেছে। প্রতিবারই এই ব্যক্তিগত ঘটনাগুলো সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনার জন্ম দেয়, আর এবারের বিয়ের দাবিও তার ব্যতিক্রম নয়।
বগুড়ার ছেলে হিরো আলম মিউজিক ভিডিও ও সামাজিক মাধ্যমের কনটেন্ট দিয়ে পরিচিতি পান। পরে চলচ্চিত্রে অভিনয়, এমনকি সংসদীয় উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েও তিনি আলোচনায় আসেন। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষ করে বিয়ে ও বিচ্ছেদের খবর, নিয়মিত সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়। সাথী খাতুনকে তিনি চতুর্থ স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেছিলেন, সেই সংসারও টেকেনি।
এই নতুন দাবির পর এখন নজর সাথী খাতুনের প্রতিক্রিয়ার দিকে। তিনি মন্তব্য করলে বা আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। উভয়পক্ষের বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত এই দাবিকে হিরো আলমের বক্তব্য হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে।
