স্টার জলসার ধারাবাহিক বাবলি সুন্দরী শুরু হয়েছিল ২০২৬ সালের ২০ মে, আর শেষ হয়েছে মাত্র ১১০ পর্বে। বাংলা টেলিভিশনে নারীকেন্দ্রিক স্ট্যান্ড আপ কমেডি ফিকশন হিসেবে এটাই ছিল প্রথম ধারাবাহিক, আর সেই পরিচয় নিয়েই এটি দর্শকের নজর কেড়েছিল। কিন্তু জাঁকজমকপূর্ণ শুরু সত্ত্বেও ধারাবাহিকটি দীর্ঘদিন চলেনি, আর এই অল্প সময়ের যাত্রা নিয়েই দর্শকের মনে অনেক প্রশ্ন জমেছে। এই গাইডে সেই সব প্রশ্নের যাচাই করা উত্তর এক জায়গায় সাজানো হয়েছে, গল্প থেকে কাস্ট, সময়সূচি থেকে শেষ হওয়ার কারণ, আর এখন কোথায় দেখা যাবে, সবটা।
এক নজরে মূল তথ্যগুলো দেখে নেওয়া যাক। ধারাবাহিকের নাম বাবলি সুন্দরী। চ্যানেল স্টার জলসা। প্রথম প্রচার ২০ মে ২০২৬। শেষ হয়েছে ১১০তম পর্বে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে। ধরন পারিবারিক নাটক, যেখানে কমেডি আর আবেগের মিশেল আছে। প্রযোজনা সংস্থা মিসিং স্ক্রু, প্রযোজক সাহানা দত্ত। মুখ্য চরিত্রে নবাগতা স্নেহা বাবলি চরিত্রে, আর হানি বাফনা বিনায়ক চরিত্রে। অনলাইনে ধারাবাহিকটির সব পর্ব জিওহটস্টারে দেখা যায়।
গল্পের কেন্দ্রে বাবলি। গায়ের রং শ্যামলা, সামনের দাঁত উঁচু, স্বভাব স্পষ্টবাদী, আচরণ কিছুটা অগোছালো। প্রচলিত অর্থে সুন্দরী বলে তাকে কখনো গণ্য করা হয়নি, আর সে নিজেও নিজেকে ভিন্নভাবে সাজানোর ভান করেনি। জীবনের প্রতিটি ধাপে বিদ্রূপ আর অপমানের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। কিন্তু তার ভেতরে লুকিয়ে ছিল এক অসাধারণ প্রতিভা, জীবনকে গভীরভাবে দেখা আর নিজের বেদনাকে হাস্যরসে বদলে দেওয়ার ক্ষমতা। অন্যরা যা দিয়ে তাকে লজ্জিত করতে চেয়েছে, বাবলি ঠিক সেই বিষয়গুলোকেই নিজের সবচেয়ে বড় শক্তি বানিয়েছে। পাড়ার মাচার প্রেক্ষাপটে গল্পটি সাজানো, যেখানে হাসি হয়ে উঠেছে টিকে থাকার আর নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার মাধ্যম।
বাবলির ঠিক বিপরীত মেরুতে বিনায়ক। সে সৌন্দর্য আর নিখুঁত চেহারার প্রতি গভীরভাবে আচ্ছন্ন। নিজের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে সে সুন্দরী মধুরাকে বিয়ে করে। কিন্তু এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মধুরাকে সে চিরতরে হারিয়ে ফেলে। সেই ঘটনার পর বিনায়ক জীবন থেকে নিজেকে প্রায় পুরোপুরি গুটিয়ে নেয়, ভাগ্যের হাতে নিজের ভবিষ্যৎ সঁপে দিয়ে অসহায়ভাবে অপেক্ষা করতে থাকে। তার মা সুবর্ণা ছেলের এই মানসিক বিপর্যয় দেখে শোক আর দুশ্চিন্তায় ভোগেন, আর স্বপ্ন দেখেন একদিন হয়তো অন্য কোনো অসাধারণ সুন্দরী নারী তার ছেলের জীবনে আসবে আর তাকে আবার সুখের জগতে ফিরিয়ে আনবে।
এই ধারাবাহিক আলাদা ছিল দুটি কারণে। প্রথমত, বাংলা মূলধারার টেলিভিশনে এর আগে বাবলির মতো চরিত্র দেখা যায়নি, আর এটাই প্রথম নারীকেন্দ্রিক স্ট্যান্ড আপ কমেডি ফিকশন। দ্বিতীয়ত, গল্পটি সৌন্দর্যের প্রচলিত ধারণাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানায়। বিউটি ফিল্টার, নিখুঁত সৌন্দর্য আর অবাস্তব মানদণ্ডে চালিত এক পৃথিবীতে কেউ যদি সবার সঙ্গে মিশে না গিয়ে নিজের মতো করে আলাদা হয়ে ওঠার পথ বেছে নেয়, তাহলে কী ঘটে, সেই প্রশ্নেই গল্পটি দাঁড়িয়ে। বাবলির যাত্রা শুধু একজন শিল্পী হয়ে ওঠার গল্প নয়, বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতি আচ্ছন্ন সমাজে নিজের কণ্ঠস্বর খুঁজে পাওয়ার গল্প। প্রোমো সামনে আসার পর থেকেই নেটমাধ্যমে দর্শকের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো, আর সেই কৌতূহলের কেন্দ্রে ছিল গল্পটি আর নায়িকা।
বাবলি চরিত্রে অভিনয় করেছেন নবাগতা স্নেহা। অভিনয়ের আগে তিনি পরিচিত ছিলেন নৃত্যশিল্পী হিসেবে। ডান্স বাংলা ডান্সের ১২তম সিজনে প্রতিযোগী ছিলেন তিনি, আর ডান্স ডান্স জুনিয়রেও তাঁকে দেখা গেছে। নাচের রিয়্যালিটি শো থেকে উঠে এসে বাংলা ধারাবাহিকে জায়গা করে নেওয়ার উদাহরণ আগেও আছে, আর স্নেহার ক্ষেত্রেও সেই পথেই শুরুটা হয়েছিল। তবে তাঁর পুরো নাম নিয়ে দুটি সূত্রে দুই রকম তথ্য আছে। আজতক বাংলার লঞ্চ-প্রতিবেদনে তাঁর নাম লেখা হয়েছে স্নেহা মুখোপাধ্যায়, আর সিরিয়াল-তথ্যভাণ্ডার ইন্ডিয়ান টিভি ইনফোতে লেখা হয়েছে স্নেহা গুরিয়া। এই গাইডে দুটি নামই উল্লেখ করা হলো, কারণ কোনো একটিকে নিশ্চিত বলে বেছে নেওয়ার মতো তৃতীয় যাচাই এই মুহূর্তে মেলেনি।
বিনায়ক চরিত্রে হানি বাফনা। টলিপাড়ার চেনা মুখ হানি এই ধারাবাহিকে অন্য ধরনের লুকে ক্যামেরার সামনে এসেছিলেন। চরিত্রের স্বার্থে তাঁর চুল আর দাড়িতে পাক ধরেছিল, অর্থাৎ বিনায়ককে একজন বয়স্ক মানুষ হিসেবে সাজানো হয়েছিল। আনন্দবাজারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হানি নিজেই বলেছেন, বয়স্ক লোকের চরিত্রে অভিনয় করাটা তিনি উপভোগ করতেন। এর আগে তাঁকে দেখা গেছে বকুল কথা ধারাবাহিকে ঋষি চরিত্রে, প্রথমা কাদম্বিনীতে দ্বারকানাথের চরিত্রে, আর সোহাগ জলে শুভ্র চরিত্রে। বাবলি সুন্দরীতে তাঁর এই ভিন্ন লুক প্রোমো সামনে আসার পর থেকেই দর্শকের কৌতূহলের একটা বড় কারণ ছিল।
হানি বাফনার ছোটপর্দার যাত্রা অবশ্য বাবলি সুন্দরী দিয়ে শুরু হয়নি। তাঁর সবচেয়ে পরিচিত চরিত্রগুলোর একটি জি বাংলার বকুল কথা ধারাবাহিকের ঋষি, যে ধারাবাহিক ৬৭৪ পর্ব ধরে চলেছিল। এরপর সোহাগ জলে শুভ্র চরিত্রে শ্বেতা ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি, আর প্রথমা কাদম্বিনীতে দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সোলাঙ্কি রায়ের বিপরীতে। বকুল কথা, সোহাগ জল আর প্রথমা কাদম্বিনী, তিনটি ধারাবাহিকেই তিনি ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চরিত্রে ছিলেন, আর বাবলি সুন্দরীতে বয়স্ক বিনায়কের চরিত্র সেই ধারারই আরেকটি ভিন্ন চেষ্টা ছিল।
পার্শ্বচরিত্রে ছিলেন শ্রীনিকা ঘোষাল আর প্রিয়াঙ্কা ব্যানার্জি, তবে তাঁদের চরিত্রের নাম যাচাই করা সূত্রে মেলেনি বলে এই গাইডে দেওয়া হয়নি। সুবর্ণা চরিত্রে কে অভিনয় করেছেন, সেই তথ্যও যাচাই করা সূত্রে পাওয়া যায়নি। ধারাবাহিকটি প্রযোজনা করেছে সাহানা দত্তের প্রযোজনা সংস্থা মিসিং স্ক্রু। একই সংস্থা এর আগে সন্ধ্যাতারা, আয়ে তবে সহচরী আর পঞ্চমী ধারাবাহিকও প্রযোজনা করেছে।
প্রথম প্রচার শুরু হয়েছিল ২০২৬ সালের ২০ মে, সোম থেকে রবি প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টায়। পরে ধারাবাহিকটির স্লট বদলায়। ২০২৬ সালের আগস্টের শুরুর দিকে প্রকাশিত স্টার জলসার সময়সূচিতে বাবলি সুন্দরীকে রাত সাড়ে ৯টার প্রাইম টাইম স্লটে দেখা যায়, আর সকাল ৭টায় পুনঃপ্রচারের তালিকাতেও ছিল এটি। অর্থাৎ শুরুর সন্ধ্যা ৬টার স্লট থেকে পরে এটি রাতের দিকে সরে গিয়েছিল। অনলাইনে ধারাবাহিকটির সব পর্ব জিওহটস্টারে স্ট্রিম হয়েছে।
২০২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আনন্দবাজার জানায়, মাত্র ১১০ পর্বেই পথচলা থামছে বাবলি সুন্দরীর। প্রতিদিন প্রচার ধরে হিসাব করলে ১১০তম পর্ব সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পড়ে। ধারাবাহিকটি কেন এত তাড়াতাড়ি শেষ হচ্ছে, সেই প্রশ্নে নায়ক হানি বাফনা আনন্দবাজারকে বলেন, "টিআরপি কম থাকার জন্য যে আমাদের ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে গিয়েছে তা নয়। অন্য কোনও কারণ থাকতে পারে।" তাঁর কথায়, চ্যানেলের অন্দরের কোনো কারণেই এই সিদ্ধান্ত হয়ে থাকতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বেশ কিছু সপ্তাহ ধরে টিআরপি প্রকাশিত হচ্ছিল না, তাই রেটিংয়ের অঙ্ক দিয়ে শেষ হওয়ার কারণ মাপা যাচ্ছিল না।
শেষ হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে হানি আরও বলেন, "আমি বেশ কিছু বন্ধু পেয়েছি এই কয়েক মাস কাজ করেই।" সহশিল্পীদের খুব মিস করছেন বলেও জানান তিনি। সাক্ষাৎকারের সময় তিনি জানিয়েছিলেন, কিছুদিন আগে পিঠে চোট পেয়েছেন বলে বিশ্রাম নিচ্ছেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন আর বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন। বিভিন্ন মাধ্যমে অভিনয়ের কথা চলছে বলে জানালেও আগামী দিনে তাঁকে ধারাবাহিকে দেখা যাবে, নাকি ওয়েব সিরিজ বা বড়পর্দায়, সেই সিদ্ধান্ত তিনি তখনো নেননি।
বাবলি সুন্দরীর অল্প দিনে শেষ হয়ে যাওয়া বাংলা ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক চেনা ছবির সঙ্গেই মেলে। আনন্দবাজারের প্রতিবেদনেই লেখা হয়েছে, গত কয়েক বছরে খুব অল্প দিনেই শেষ হয়ে যাচ্ছে বাংলা ধারাবাহিক, আর বাবলি সুন্দরীর ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয়নি। নতুন ধারণা নিয়ে শুরু হওয়া ধারাবাহিকও দর্শক ধরে রাখতে না পারলে বা চ্যানেলের ভেতরের সিদ্ধান্তে দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে, এটাই এখনকার বাস্তবতা। এই প্রেক্ষাপটে বাবলি সুন্দরীর ১১০ পর্বের যাত্রা ব্যতিক্রম নয়, বরং এই ধারারই আরেকটি উদাহরণ।
২০২৬ সালে স্টার জলসায় শুরু হওয়া ধারাবাহিকগুলোর মধ্যে বাবলি সুন্দরীর অবস্থানটাও লক্ষণীয়। একই বছরে গঙ্গা শুরু হয়েছিল ১০ মার্চ, প্রতিজ্ঞা ৯ এপ্রিল, কুমকুম ১৭ জুন আর তিলোত্তমা ২৭ জুলাই। এই তালিকার মধ্যে কুমকুম, গঙ্গা, প্রতিজ্ঞা আর তিলোত্তমা এখনো চলছে, আর বাবলি সুন্দরীই সেই বছরের শুরুর দিকের ধারাবাহিকগুলোর মধ্যে প্রথম বিদায় নিল। অর্থাৎ একই বছরে শুরু হওয়া ধারাবাহিকগুলোর ভাগ্য একরকম হয়নি, আর বাবলি সুন্দরীর ১১০ পর্বের যাত্রা সেই পার্থক্যেরই প্রমাণ।
এখন প্রশ্ন, ধারাবাহিকটি আর কোথায় দেখা যাবে। টেলিভিশনে এর নিয়মিত প্রচার শেষ হয়ে গেছে। ২০২৬ সালের ৬ নভেম্বরের স্টার জলসার সময়সূচিতে বাবলি সুন্দরীর নাম নেই, আর উইকিপিডিয়ার স্টার জলসা পাতায় ধারাবাহিকটি এখন আগের প্রচারের তালিকায় আছে। তবে সব পর্ব অনলাইনে দেখা যাবে জিওহটস্টারে, যেখানে ধারাবাহিকটি কমেডি ঘরানার বাংলা শো হিসেবে তালিকাভুক্ত আছে। জিওহটস্টার অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে বাবলি সুন্দরী খুঁজে পর্বগুলো দেখা যাবে।
প্রশ্নোত্তরে পুরো বিষয়টা গুছিয়ে নেওয়া যাক। বাবলি সুন্দরী কবে শুরু হয়েছিল, উত্তর, ২০ মে ২০২৬। কত পর্বে শেষ হয়েছে, উত্তর, ১১০ পর্বে। কেন শেষ হলো, উত্তর, চ্যানেলের অন্দরের কারণ বলে শোনা যাচ্ছে, নায়কের কথায় টিআরপি কম থাকার কারণে নয়, তবে নির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। বাবলি চরিত্রে কে, উত্তর, নবাগতা স্নেহা, তবে সূত্রভেদে তাঁর নামের দুটি রূপ আছে, স্নেহা গুরিয়া ও স্নেহা মুখোপাধ্যায়। বিনায়ক চরিত্রে কে, উত্তর, হানি বাফনা।
আরও কিছু প্রশ্নের উত্তর। কোথায় দেখবেন, উত্তর, জিওহটস্টারে সব পর্ব। টিভিতে কি আবার দেখা যাবে, উত্তর, নিয়মিত প্রচার শেষ, পুনঃপ্রচারের কোনো ঘোষণা নেই। আবার কি ফিরবে, উত্তর, এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা নেই, দ্বিতীয় সিজনেরও কোনো খবর নেই। হানি বাফনার পরের কাজ কী, উত্তর, সিদ্ধান্ত এখনো নেননি বলে জানিয়েছেন, বিভিন্ন মাধ্যমে অভিনয়ের কথা চলছে।
এই গাইডে কিছু তথ্য ইচ্ছে করেই দেওয়া হয়নি, কারণ সেগুলো যাচাই করা সূত্রে মেলেনি। শ্রীনিকা ঘোষাল আর প্রিয়াঙ্কা ব্যানার্জির চরিত্রের নাম, সুবর্ণা চরিত্রে কে অভিনয় করেছেন, আর শেষ পর্বের নির্দিষ্ট তারিখ, এই তিনটি তথ্য এখনো যাচাই করা যায়নি। আনন্দবাজারের ৩ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে শুধু ১১০ পর্বে শেষ হওয়ার কথা আছে, শেষ পর্বের তারিখ সেখানে লেখা নেই। ধারাবাহিকটির জায়গায় কোন ধারাবাহিক এসেছে, সেই তথ্যও যাচাই করা সূত্রে মেলেনি বলে এখানে লেখা হয়নি। নতুন যাচাই করা তথ্য এলে এই গাইডে যোগ করা হবে।
এই গাইডের তথ্য এখানেই শেষ, কারণ যাচাই করা উপাদান এখানেই শেষ হয়েছে। হানি বাফনার পরের কাজের ঘোষণা এলে বা ধারাবাহিকটি জিওহটস্টারে নতুনভাবে ফিরলে এই গাইডে আপডেট যোগ করা হবে। আপাতত বাবলি সুন্দরী মনে থাকবে বাংলা টেলিভিশনের প্রথম নারীকেন্দ্রিক স্ট্যান্ড আপ কমেডি ফিকশন হিসেবে, যে ধারাবাহিক সৌন্দর্যের প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্ন করেছিল, আর মাত্র ১১০ পর্বেই বিদায় নিয়েছিল।
